ক্রাইম বিবিধ রাজধানী

যাত্রাবাড়িতে কুতুবখালী নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র বলৎকারের অভিযোগ।

Written by CrimeSearchBD

কুতুবখালী নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ও কতুবখালী জামে মসজিদের সাবেক ইমাম শরীফুল ইসলাম এর বলৎকারের শিকার বহু ছাত্র।
রাজধানীর যাএাবাড়ি থানার ৯নং উত্তর কুতুব খালী (মেইন রোড) অবস্থিত কুতুবখালী নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও কুতুবখালী জামে মসজিদ। কতুবখালী জামে মসজিদের কমিটি মাদ্রাসাটি পরিচালনা করে আসছে বলে জানায়। ঐ মসজিদ কেন্দ্রিক মাদ্রাসায় ঘটে গেল এক জঘণ্য ও মর্মান্তিক ঘটনা। শরিফুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক কুতুবখালী নূরানী মাদ্রাসায় শিক্ষকতার পাশাপাশি কুতুবখালী জামে মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন দীর্ঘ দিন যাবত। তিনি মাদ্রাসায় দিনে এবং রাতে নানা সময় মাদ্রাসায় দায়িত্বরত অবস্থায় মাদ্রাসার অনেক আবাসিক ছাত্রদের নানা কৌশলে এবং গোপনীয় ভাবে বলৎকার করে আসছিলেন। বর্তমান অভিযুক্ত শরীফ পালাতক রয়েছে বলে মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটি জানায় কিন্তু শরীফের শ্যালক কে মাদ্রাসা কমিটি আটক রেখেছে বলে জানা যায়। কিন্তু পরদিন সেও পালিয়ে যায় বলে জানা যায়। এ বিষয়ে এর পুর্বেও বিচার শালিস হয়েছে বলে মাদ্রাসা কমিটি জানায়। ভুক্তভোগী এক ছাএ তার বাবার কাছে বিষয়টা জানানোর কারনে ছাত্রের বাবা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টা অবগত করে। ধীরে ধীরে বেড়িয়ে আসে থলের বিড়াল। জানা যায় এই পর্যন্ত ১২ জন আবাসিক ছাত্রের সাথে অভিযুক্ত শরীফ দীর্ঘ ২ বৎসর যাবত একাজ করে আসছিল। মাদ্রাসায় সিসি ক্যামেরা না থাকায় এ ধরনের ঘটনা কমিটির গোচরে আসে নি বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়। এ বিষয়টি শরিফুল বুঝতে পেরে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যায়। মাদ্রাসায় অবস্থানরত অনেক ছাএকে আলাদা আলাদা ভাবে বিষয় টা জিজ্ঞেস করা হলে প্রায় ৮ জন ছাত্র শরিফুল হুজুরের বলৎকারের ঘটনা শিকার হয়েছে বলে জানান মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আরো জানান শরিফুল পালিয়ে যাবার সময় মসজিদ এবং মাদ্রাসার প্রায় ৮ লক্ষ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্্যারতন আইনে ধর্ষন মামলা করা যেতে পারে অথবা ৩৭৭ ধারায়ও ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিকেও এর দায়িত্ব নিতে হবে যেহেতু ছাত্রগুলো শিশু ও আবাসিক ছিল।
বর্তমানে মাদ্রাসা কমিটি বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়। শরীফের পক্ষে কিছু লোক বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে কমিটির সাথে যোগাযোগ করে আসছিল বলে কমিটি জানায়। কমিটির পক্ষ থেকে একটি অংশ মাদ্রাসার সুনাম রক্ষার্থে ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলায় নিরুতসাহিত করে আসছে বলে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে জানা যায়।

About the author

CrimeSearchBD