ক্রাইম সারাদেশ

কক্সবাজারে যুবককে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে মৃত্যু

Written by CrimeSearchBD

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (১২ জুলাই) দুপুরে মো. জামাল উদ্দিন (৩৪) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

জামাল উদ্দিনের আত্মীয়দের দাবি, স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাকে মোটরসাইকেল থামিয়ে মারধর করে। যদিও অভিযুক্তরা বলছেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় জামাল উদ্দিন আহত হন।

গত ৮ জুলাই রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার সদরে জামাল উদ্দিন সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন। জামাল উদ্দিন সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মৃত ফজল কবিরের ছেলে।

টাকার লেনদেন ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জামাল উদ্দিনকে মরধর করা হয় বলে জানান তার নিকটাত্মীয় এরশাদ উল্লাহ। ঝিলংজা ইউপি সদস্য আবদুর রশীদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘জামাল উদ্দিনের শরীরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার চিহ্ন ছিল না। তার পেছনে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যা আঘাত করার চিহ্ন। আর এই এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটলে অনেকে জানতো। কিন্তু এলাকায় এ রকম দুর্ঘটনা ঘটেনি।’

ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান টিপু সুলতান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘তার মৃত্যু হয়েছে হামলার শিকার হয়ে। যদিও অভিযুক্তদের দাবি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে। মোটরসাসাইকেল দুর্ঘটনা করলে হাত-পা ভাঙা বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত থাকতো। কিন্তু নিহতের পিঠে ও মাথায় আঘাত রয়েছে। আর কোথাও ক্ষতের চিহ্ন নেই। খবর নিয়ে জানলাম, ইউছুপ আলী প্রকাশ বাহা ইউছুপের ছেলে শওকত আলী, দেলোয়ার হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, ওসমান গনি, নাতি মেহেদী হাসান হামলার ঘটনায় জড়িত।’

টিপু সুলতান বলেন, ‘বাহা ইউসুপের পরিবারের অনেক সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি। পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য ডজন মামলার আসামি।’

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ঘটনার ব্যাপারে জানতে পারি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

About the author

CrimeSearchBD