সারাদেশ

বাংলাদেশের সাফল্য উদযাপনের বছর ২০২১ সাল

Written by CrimeSearchBD

২০২১ সাল বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্যের জন্য বড় একটি বছর বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। আর এই ‘অসাধারণ সাফল্য’ উদযাপনে বছরজুড়ে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন তারা। এটি বাংলাদেশের জন্য বড় এক বছর। বুধবার নিজ বাসভবনে ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্টস
অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ডিক্যাব) নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিক্যাব সভাপতি পান্থ রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক একেএম মঈনুদ্দিন।
এ সময় হাইকমিশনার বলেন, করোনার পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা কয়েকটি অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি এবং কিছু অনুষ্ঠান ব্যক্তিগত উপস্থিতির মাধ্যমে পালন করবেন। দুদেশের মধ্যকার বাণিজ্য সংলাপ, রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে আরও জোর দেওয়া, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের আসন্ন জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে ২০২১ সালে নজর দেবে ব্রিটিশ হাইকমিশন।
ডিকসন বলেন, জলবায়ু ইস্যুটি বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য ও পুরো বিশে^র জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছরের ১-১২ নভেম্বর গ্লাসগোতে হতে যাওয়া ২৬তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৬) আয়োজন করবে যুক্তরাজ্য। এ ছাড়া প্যারিস চুক্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত্ব করতে কপ-২৬ সম্মেলনে সবাইকে একত্রিত করা হবে। যুক্তরাজ্য বলছে, তারা কপ-২৬-এর আগে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা প্রথম সারির সব দেশ এবং সুশীল সমাজ, সংস্থা এবং মানুষের সঙ্গে জলবায়ু সংক্রান্ত কাজে অনুপ্রেরণা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, জলবায়ুর বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা ৪৮ দেশের জোট ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) বর্তমান সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সিভিএফে বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
এ সময় করোনাভাইরাসের টিকা সম্পর্কিত ভুল তথ্য প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোই আসল চ্যালেঞ্জ। এগুলো সমাজে ঝুঁকি তৈরি করেছে। তাই যথাযথ তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে গণমাধ্যম ভূমিকা রাখতে পারে বলে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। আমাদের সবাইকে সম্মিলিত দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রোহিঙ্গা বিষয়ে বলতে গিয়ে ডিকসন বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তারা সত্যিকার অর্থে এতে জোর দিচ্ছেন। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ফিরিয়ে নিতে এবং এটা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য সরকার।

About the author

CrimeSearchBD