সারাদেশ

বাসে ছেলের মৃত্যু, করোনা সন্দেহে লাশসহ মাকে নামিয়ে দিল চালক

Written by CrimeSearchBD

ঢাকার গাজীপুর থেকে ধামইরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি বাসের ভেতর মায়ের পাশে ছেলে মিজানুর রহমান (৪০) নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

নিহত মিজানুর রহমান ধামইরহাট উপজেলায় জাহানপুর ইউনিয়নের উত্তর জাহানপুর কলোনীর আতোয়ার হোসেনের ছেলে। শেষ খবর পাওয়ার আগ পর্যন্ত মৃত ব্যক্তির লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা চলছিল।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস। নিহত মিজানুর রহমানের বাড়ি লকডাউন হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল। সে ঢাকায় পোশাক শ্রমিকের কাজ করত। মঙ্গলবার রাতে বাসযোগে তার মা সোহাগী বেগমকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বাসে বসে থাকা অবস্থায তার মৃত্যু হয়। ছেলের আকর্ষিক মৃত্যু দেখে মা চিৎকার দিয়ে উঠলে উপস্থিত বাসযাত্রী এবং গাড়ির ড্রাইভার করোনায় মৃত্যু হয়েছে সন্দেহে মিজানুর রহমানের মৃতদেহসহ তার মাকে ভোরে জয়পুরহাট-বগুড়া সড়কের হিচমি নামক স্থানে বাস থেকে নামিয়ে দেন।

নিহত মিজানুর রহমান ধামইরহাট উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত উত্তর জাহানপুর কলোনী ঘোড়াবট গ্রামের আতোয়ার হোসেনের ছেলে।

খবর পেয়ে জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র রায়সহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা সেখানে গিয়ে মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, ঢাকার গাজীপুর থেকে ধামইরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি বাসের ভেতর মায়ের পাশে ছেলে মিজানুর রহমান (৪০) নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

নিহত মিজানুর রহমান ধামইরহাট উপজেলায় জাহানপুর ইউনিয়নের উত্তর জাহানপুর কলোনীর আতোয়ার হোসেনের ছেলে বলে আমরা জানতে পারি। আমরা মৃত মিজানুর রহমানের নমুনা সংগ্রহ করেছি এবং পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হবে। রাজশাহী মেডিকেল থেকে পাঠানো তথ্যে আমরা জানতে পারবো তার কি অসুখ হয়েছিল।

ড. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন বলে তার পরিবার অমাদের নিশ্চিত করেন।

How Is My Site? Is it user friendly?

View Results

Loading ... Loading ...

About the author

CrimeSearchBD

%d bloggers like this: