সারাদেশ

পেঁয়াজ কূটনীতি শুরু

Written by CrimeSearchBD

মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ৩৫ টাকার পেঁয়াজের দাম এখন সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ছুটছে দুর্বার গতিতে। প্রতিদিন দাম বাড়ছে কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা করে। আর এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে দেশের মানুষের কষ্ট বেড়েছে। নিম্নআয়ের মানুষ দিশেহারা। এ অবস্থায় পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে অবশেষে সরকার ক‚টনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। পেঁয়াজ রফতানি শুরু করতে বুধবার ভারত সরকারকে চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ক‚টনৈতিক তৎপরতায় বরফ গললে পেঁয়াজ এলে দাম কমবে, সে সঙ্গে কষ্ট কমবে সাধারণ মানুষের।

অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে পেঁয়াজ মজুদ আছে। সচিবালয়ে বুধবার পেঁয়াজের মজুদ, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, আগামী একমাসের মধ্যে কমে আসবে পেঁয়াজের দাম।
দুই প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে বিবেচনায় নিয়ে পেঁয়াজ রফতানি শুরু করতে ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতকে দেওয়া এক চিঠিতে বাংলাদেশ এ অনুরোধ জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে এ বিষয়ে একটি ক‚টনৈতিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
ভারতকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ রফতানির নীতিমালায় ভারত হঠাৎ করে পরিবর্তন আনার ঘোষণা বাংলাদেশকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। কারণ এতে করে বাংলাদেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে সরাসরি প্রভাব পড়েছে। এ বছরের ১৫ ও ১৬ জানুয়ারি দুই দেশের বাণিজ্য সচিবদের বৈঠকে বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী রফতানি বন্ধ না করার জন্য ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তখন অনুরোধ করা হয়েছিল যে, যদি কোনো কারণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতেই হয়, তবে তা যেন বাংলাদেশকে আগেভাগে জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের অক্টোবরে ভারতে রাষ্ট্রীয় সফরে প্রসঙ্গটি তুলেছিলেন। তখনও বাংলাদেশ অনুরোধ জানিয়েছিল, এমন কিছু ঘটলে যাতে আগাম জানানো হয়। এ বিষয়গুলো উল্লেখ করে ভারতকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, হুট করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের বিষয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত সরকারের আকস্মিক ঘোষণা দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের ২০১৯ ও ২০২০ সালের আলোচনা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। দুদেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সমঝোতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি পুনরায় শুরু করতে ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে আগামী মৌসুম পর্যন্ত ১০ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। তার মধ্যে আমাদের প্রায় ৬ লাখ টন পেঁয়াজ আছে। ঘাটতি ৪ লাখ টন। মন্ত্রী বলেন, ভারত হঠাৎ পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় একটু সমস্যা হয়েছে। অন্য মার্কেট থেকে পেঁয়াজ আনার চেষ্টা করছি। আমরা আগামী ৩০ দিন সময় পেলে অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আনব। তখন আর তেমন সমস্যা হবে না।
তুরস্ক ও নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে বলে মন্ত্রী জানান। ভারত পেঁয়াজ দেওয়া বন্ধ করায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন ভোক্তারা বেশি করে পেঁয়াজ কেনায় ‘প্যানিক বায়িং’ সৃষ্টি হয়েছে। এটার দরকার নেই। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন।
ভারতের হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। এ কারণে নাকি অন্য কোনো কারণ আছে জানি না। আমি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে কথা বলছি। এর পেছনে গভীর রাজনীতি আছে কি না জানি না।’
অন্যদিকে কোনো ঘোষণা ছাড়াই গত সোমবার বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় ভারত। এর পরপরই দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে পেঁয়াজ কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, এখন ১০০ টাকার ওপরে।
অবশ্য দেশে পেঁয়াজের বাজারে সরবরাহ সঙ্কটের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শুরু থেকেই মিসর, চীন, তুরস্ক, মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করে দেন দেশের ব্যবসায়ীরা। এ জন্য সরকারের কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ বা কোয়ারেন্টিন দফতর থেকে গত সোমবার পর্যন্ত ৯ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) সনদ নিয়েছেন তারা।
তবে ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরদিন বুধবার এক দিনেই আরও ১০ হাজার ৭৪২ টন আমদানির অনুমতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসছে মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে। আর সব পেঁয়াজের চালান দেশে আসবে সমুদ্রপথে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ অ্যাগ্রোকমোডিটি ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেজাউল করিম আজাদ বলেন, এখন সঙ্কটের কথা বিবেচনায় নিয়ে আমরা অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করলাম; সেই পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার পর দেখা গেল ভারত সীমিত পরিসরে আবার রফতানি শুরু করেছে। তখন তো পথে বসতে হবে ব্যবসায়ীদের। তাই বাজারে সরবরাহ বাড়াতে চাইলে অন্তত দুই মাস ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখার নিশ্চয়তা দরকার। ভারত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেও আমরা দুই মাস পেঁয়াজ আনব না। সেই নিশ্চয়তা পেলে দেশের ব্যবসায়ীরাই প্রতিযোগিতা করে পেঁয়াজ আমদানি করবেন।
পাবনাতে ব্যবসায়ীদের কারসাজি
পাবনা প্রতিনিধি জানান, পেঁয়াজের ভান্ডার হিসেবে খ্যাত সেই পাবনাতেই পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী। চলতি এক সম্পাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে মণপ্রতি ১ হাজার টাকা। এই অঞ্চলের পেঁয়াজ রফতানি হয়ে থাকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. আজহার আলীর দেওয়া তথ্য মতে, স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকদের কাছে এখনও দুমাসের প্রায় পঁচাত্তর হাজার টন পেঁয়াজ মজুদ আছে। কৃষক ও মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ভারতের পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হওয়ার সুযোগ নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। আর এই দাম সাধারণের নাগালের মধ্যে আনতে সরকার পেঁয়াজ আমদানি করে টিসিবির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে বিক্রি শুরু করলে বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।
বর্তমানে পেঁয়াজের বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে। আগামী দিনে দাম আরও বৃদ্ধি হওয়ার কথা জানিয়েছেন বিক্রেতারা। পেঁয়াজ নিয়ে পাবনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ বলেন, আমাদের পাবনা জেলা পেঁয়াজের অঞ্চল হিসেবে বেশ খ্যাত। এই অঞ্চলের পেঁয়াজ সারা দেশে সরবরাহ হয়ে থাকে। বর্তমানে সময়ে হঠাৎ করে পেঁয়াজের বাজার অস্বাভাবিক হয়ে গেছে। পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক আর বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য সবার আগে ঢাকার পাইকার-ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এই দাম তারা নির্ধারণ করে থাকে। আমরা স্থানীয় বাজারগুলোতে নজরদারি রাখছি। পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সবার আগে ঢাকার বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সরকারের আমদানিকৃত পেঁয়াজ টিসিবির মাধ্যমে স্বল্প দিনের মধ্যে বাজারে পাওয়া যাবে।
কসবায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, কসবায় বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করার দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবা খান কসবা পুরাতন বাজারে অভিযান চালিয়ে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদÐ করেন। অর্থদÐ পাওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে মেসার্স মোস্তাক ব্রাদার্সকে ৫ হাজার টাকা ও মহাদেব সাহাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ফরিদপুরে দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে
ফরিদপুর প্রতিনিধি জানান, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় গত কয়েক দিনের ব্যবধানে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। গত তিন দিনের ব্যবধানে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। প্রতিদিনই বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বাজার মনিটরিং করা হলেও কোনোভাবেই দাম বৃদ্ধি ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিনই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ক্রেতারা ক্ষুব্ধ। আর বিক্রেতারা বলছেন, বেশি দামে কেনার কারণে তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, জেলায় যে পরিমাণ পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে তাতে করে আগামী ছয় মাস পেঁয়াজ আমদানি করা না হলেও সঙ্কট সৃষ্টি হবে না।
ফেনীতে তিন মজুদদারকে জরিমানা
ফেনী প্রতিনিধি জানান, পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রাখতে ফেনীতে আড়তে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। এ সময় অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রির দায়ে তিন আড়তদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কাপাসিয়ায় ছয় ব্যবসায়ীকে জরিমানা
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি জানান, গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করার অপরাধে ছয় ব্যবসায়ীকে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার রাতে কাপাসিয়া সদর কাঁচাবাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসমত আরা অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা আদায় করেন।
ইউএনও ইসমত আরা জানান, বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৩৮ ধারায় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হয়েছে। তার মধ্যে ব্যবসায়ী রহিমকে ৫ হাজার, মাসুমকে ৫ হাজার, নাজমুলকে ২ হাজার, সিরাজুলকে ২ হাজার, পলয়কে ১ হাজার ও আমজাদকে ১ হাজার টাকাসহ মোট ১৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
নাটোরে পেঁয়াজের ঝাঁজে ক্রেতারা টালমাটাল
নাটোর প্রতিনিধি জানান, ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণায় সারা দেশের মতো নাটোরের বাজারগুলোতেও পেঁয়াজের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এতে টালমাটাল অবস্থা সাধারণ ক্রেতাদের। গত ১০ দিনে নাটোরের বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কেজিপ্রতি ৫০ টাকা। গত ১০ দিন আগে নাটোরের বাজারগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা দরে। এরপর ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণায় হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেতে পেতে বুধবারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকায়। এ অবস্থায় ক্রেতারা বিপাকে পড়েছে। নানা কারণে প্রতিবছর পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়। তবে তা থাকে সহনীয় পর্যায়ে। এবারে প্রতিক‚ল আবহাওয়ার কারণে কৃষক সময়মতো তাদের পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারেনি। ফলে সে পেঁয়াজ তারা নানাভাবে সংরক্ষণ করেছে। এরপরও গত ১০ দিন পূর্ব পর্যন্ত পেঁয়াজের বাজার ছিল স্থিতিশীল। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণার খবর প্রচারিত হওয়ার পরই পেঁয়াজের বাজারে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তারা নিজেরাও বিষয়টি বুঝতে পারেননি।
শিবপুরে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
শিবপুর (নরসিংদী) প্রতিনিধি জানান, অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রির দায়ে দুই পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সকালে শিবপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্যামল চন্দ্র বসাক। অভিযুক্তদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

About the author

CrimeSearchBD

%d bloggers like this: