করোনা ভাইরাস

গাইবান্ধায় বাড়ি ফিরলেন ২২ করোনাজয়ী, নতুন আক্রান্ত নেই

Written by CrimeSearchBD

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার পর গাইবান্ধায় সেরে উঠেছেন ২২ জন। করোনা জয় করে সুস্থ হওয়া সবাই গাইবান্ধার বিভিন্ন করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরপর দুটি টেস্টে তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তাদের আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

গাইবান্ধায় গত দু’সপ্তাহে নতুন কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হননি। জেলায় মোট ২৪ জন আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১ জন আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তিনি ভালো আছেন।

এছাড়া রংপুর করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আক্রান্ত ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা. এ.বি.এম আবু হানিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডা. আবু হানিফ জানান, এ পর্যন্ত জেলায় করোনা সন্দেহে মোট ৬৬৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রংপুরে পাঠানো হয়েছে এর মধ্যে ৬৩৩টি পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। নমুনা পরীক্ষার ফলাফল অপেক্ষমান আছে ৪২টি।

গাইবান্ধা সিভিল সার্জন অফিসের করোনা কন্ট্রোল রুম জানায়, গাইবান্ধায় গত ২৪ ঘন্টায় রোববার (১৭ মে) করোনা উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৩২ জন সহ ২৯৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জে ৭, গোব্দিন্দগঞ্জে ১৪, সদরে ৩৪, ফুলছড়িতে ৮২, সাঘাটায় ১২১, পলাশবাড়িতে ২ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ৩৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় এসেছেন ৩ হাজার ৫৮০ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪০ জন। এ নিয়ে জেলায় কোয়ারেন্টাইন শেষে মোট ৩ হাজার ১৪৫ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন ১১৮ জন। বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে কেউ নেই।

কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রতিদিনের প্রেস রিলিজ সুত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় জেলার প্রস্তুতি হিসেবে ৭টি সরকারি হাসপাতালে মোট ৪শ’ ৮১টি ও ১৮টি বেসরকারি হাসপাতালে ১৯০টি বেড রয়েছে। এর মধ্যে প্রস্ততকৃত বেডের সংখ্যা ১১৫টি ও বেসরকারি ১৯টি।

এছাড়া জেলায় মোট ১শ’ ২৬ জন সরকারি ডাক্তার ও বেসরকারি ১৯ জন ডাক্তার বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন। সরকারি নার্স ১শ’ ৯০ জন এবং ১৯ জন বেসরকারি নার্সসহ দায়িত্ব পালন করছেন ২০৯ জন। সরকারি চিকিৎসকদের জন্য ৪ হাজার ৫৭৫টি এবং বেসরকারি ১১০টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) মজুদ রয়েছে। ইতোমধ্যে ৯ হাজার ৫৯৫টি পিপিই বিতরণ করা হয়েছে।

অপর দিকে ১১ হাজার ৫৪১টি মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে এবং ৪ হাজার ৭৬৪টি মাস্ক মজুদ রয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের জরুরি চিকিৎসায় স্থানান্তরের জন্য ২টি এ্যাম্বুলেন্স ও ২টি মাইক্রোবাস সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।

About the author

CrimeSearchBD

%d bloggers like this: