করোনা ভাইরাস

করোনা কেড়ে নিল আরও ১৭ প্রাণ

Written by CrimeSearchBD

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৬৮৭ জন। নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৭৮ জন। এ নিয়ে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লাখ ১৮ হাজার ৮৯৮ জন। বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে আরও ১ হাজার ২১ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৮০ জন হয়েছে। বুধবার বিকালে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর দেশে করোনা পরিস্থিতির এই তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১৪টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ২৭টি জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ৪০টি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাবে অর্থাৎ সর্বমোট ১৮১টি ল্যাবে ১৫ হাজার ৫৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৩৩ লাখ ২ হাজার ৪২৯টি নমুনা।
২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৬ লাখ ৯ হাজার ৪২৬টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৩টি।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই সময়ে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ আর ২ জন নারী। তাদের সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। মারা যাওয়াদের মধ্যে ১১ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ৩ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ২ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং ১ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে ৯ জন ঢাকা বিভাগের, ২ জন করে ৬ জন চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের এবং ১ জন করে ২ জন খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৭ হাজার ৬৮৭ জনের মধ্যে ৫ হাজার ৮৪৬ জনই পুরুষ এবং ১ হাজার ৮৪১ জন নারী।
তাদের মধ্যে ৪ হাজার ২০১ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ১ হাজার ৯৫১ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৮৯৯ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৩৮৩ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৬০ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৫৭ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ৩৬ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম। এর মধ্যে ৪ হাজার ২৩২ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৪২০ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪৪৩ জন রাজশাহী বিভাগের, ৫৩৮ জন খুলনা বিভাগের, ২৩৮ জন বরিশাল বিভাগের, ২৯৪ জন সিলেট বিভাগের, ৩৪৮ জন রংপুর বিভাগের এবং ১৭৪ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল, তা ৫ লাখ পেরিয়ে যায় ২০ ডিসেম্বর। এর মধ্যে গত ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যু হয়। ২৯ ডিসেম্বর তা সাড়ে ৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু। বিশে^ শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে সাড়ে ৮ কোটি ৬৪ লাখ পেরিয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৮ লাখ ৬৯ হাজার। জনস হপকিন্স বিশ^বিদ্যালয়ের তালিকায় বিশে^ শনাক্তের দিক থেকে ২৭তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩৬তম অবস্থানে।

About the author

CrimeSearchBD

%d bloggers like this: