করোনা ভাইরাস

করোনায় আরও ১৫ জনের প্রাণহানি

Written by CrimeSearchBD

দেশে করোনাভাইরাসে রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু দুটোই কমেছে। এক দিনে নতুন ১ হাজার ৪৬৯ জনকে নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৭৫ জন। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আরও ১৫ জন মারা যাওয়ায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৬ জনে। বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ৪৩৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ৩৫ হাজার ২৭ জন হয়েছে। শুক্রবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব

তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এর মধ্যে সরকার আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। টিকা আসার আগপর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮৬ শতাংশ। গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় শুক্রবার নতুন রোগী ও রোগী শনাক্তের হার কমেছে। শুক্রবার রোগী শনাক্তের হার ছিল ১২ দশমিক ১০ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ। আর নারী ৪ জন। দেশে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৫ জনের মধ্যে বিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব পাঁচজন এবং ষাটোর্ধ্ব পাঁচজন রয়েছেন। বিভাগ অনুযায়ী, ১৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে আটজন, চট্টগ্রামে পাঁচজন, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে রয়েছেন।
গত ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। তা ২৬ অক্টোবর ৪ লাখ পেরিয়ে যায়। এর মধ্যে গত ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে দেশে প্রথম মৃত্যু হয়। বুধবার তা ছয় হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যু হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

About the author

CrimeSearchBD

%d bloggers like this: